খবর বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : সোমবারই রাজধানীর রাউস অ্যাভিনিউ আদালত মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ারের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে থাকার মেয়াদ ১২ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। ইডির পর সিবিআই-ও গ্রেফতার করে তাঁকে। আদালতের অনুমতি নিয়ে সিবিআই তাঁকে দিল্লির মদকাণ্ডে দফায় দফায় জেরা করছে।
আদালত নির্দেশ জানার পর সোমবারই এই ইস্যুতে সংসদের বাইরে প্রতিবাদে শামিল হলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদেরা। এজেন্সি রাজের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। তাতে নেতৃত্ব দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতার পাশে দাঁড়িয়েই স্লোগান দেন তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েরা। ছিলেন আপের সাংসদ এবং ইন্ডি জোট শরিকেরা।
রাহুল সোমবার ফের সাদা টি-শার্ট আর কালো ট্রাইজার পরে সংসদে এসেছেন। গত সপ্তাহে বিরোধী দলনেতা হিসাবে প্রথম দিন এসেছিলেন একেবারে রাজনীতির চেনা পোশাকে। রাহুলের পরনে ছিলেন সাদা কুর্তা-পাজামা। পরদিনও একই পোশাকে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
কিন্তু সোমবার ফের পুরনো পোশাকে লোকসভায় গিয়েছেন। সোমবারই রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপন প্রস্তারের উপর বিতর্কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বক্তব্য রাখার কথা রাহুলের। ফলে গোটা সংসদ এবং রাজনৈতিক মহলের আজ নজর থাকবে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির দিকে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন সংসদে রাহুল কুর্তা-পাজামা পরেই আসবেন। কিন্তু সোমবার ফের সাদা টি-শাট পরে এসে বুঝিয়ে দিয়েছেন, পোশাকে কী আসে যায়। কাজটাই আসল। রাহুলের আজ প্রধান কাজ নিট কেলেঙ্কারি নিয়ে সরকারকে চেপে ধরা। এছাড়া লোকসভা ভোটের প্রচারে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব তলব করা।
তার আগে ইন্ডি জোটের শরিকদের নিয়ে সংসদের দুয়ারে বিক্ষোভে শামিল হলেন। এবার কংগ্রেস ও তৃণমূল প্রথম থেকে সংসদে বোঝাপড়া করে চলার বার্তা দিয়েছে। গত সপ্তাহে রাহুলের সঙ্গে কথা হয়েছে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ফোনে কথা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। নানা ইস্যুতে দুই দল যথাসম্ভব সহমতের ভিত্তিতে চলার চেষ্টা চালাচ্ছে।