আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার ঠিক আগে বাংলার রাজনীতিতে নয়া মোড়। বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দল AIMIM-এর সঙ্গে জোট গঠনের ঘোষণা করেছেন। শনিবার বহরমপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট ঘোষণা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ওই কর্মসূচিতে AIMIM প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি উপস্থিত থাকবেন না, তবুও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের নিরিখে এই জোটকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
হুমায়ুন কবীর জানান, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই জোটের মাধ্যমে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হবে। তিনি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, শনিবার রেজিনগরের মরাদিঘি এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ‘মেগা সমাবেশ’ থেকে আগামী নির্বাচনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তাঁর দাবি, ওই সমাবেশে অন্তত ১০ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি থাকবে এবং সেখান থেকেই তৃণমূল সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের সূচনা হবে।
এর মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে হুগলি জেলাজুড়ে দলবদলের রাজনীতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে। জেলার সপ্তগ্রাম, মগরা ও বাঁশবেড়িয়া এলাকার একসময়ের প্রভাবশালী নেতা দেবব্রত বিশ্বাস ফের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিজেপি ছেড়ে পুরনো দলে ফেরার পর দেবব্রত বলেন, বিজেপি তাঁকে ঠিকভাবে গ্রহণ করেনি বলেই তিনি তৃণমূলে ফিরে এসেছেন।
হুমায়ুন কবীরের শক্তি প্রদর্শন ঘিরে উত্তাল মুর্শিদাবাদের রাজনীতি। ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত ভরতপুরের বিধায়ক এবং নবগঠিত জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেইউপি) সভাপতি হুমায়ুন কবীর আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদে কোরান পাঠের মধ্য দিয়ে বাবরি মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। বাংলার মুসলিম-অধুষ্যিত এই জেলায় তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।