ভবানীপুরের একটা বড়ো অংশ অবাঙালি ভোটার। ভোট দেওয়ার ব্যাপারে তাদের চিরকাল অনীহা। ফলে ভবানীপুরে গড়ে ৬০ শতাংশর মতো ভোট পড়ে। সেই কারণেই এবার বিজেপি চাইছে ভোটের হার কিছুটা বাড়াতে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজেপির কর্মীরা বিশেষভাবে তাঁদের টার্গেট করছেন, যাঁরা সাধারণত ভোট দিতে আসেন না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, আগেরবার কেন ভোট দেননি তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেউ অসুস্থ বা চলাফেরায় অক্ষম হলে ভোটের দিনে হুইলচেয়ার বা অন্যান্য সহায়তার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে।এক বিজেপি নেতার কথায়, 'সাধারণত ভবানীপুরে ভোটদানের হার প্রায় ৬০ শতাংশের আশেপাশে থাকে। আমরা যদি সেটাকে ৮০ শতাংশে নিয়ে যেতে পারি, তাহলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে আমরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারব, যা তৃণমূলের অগ্রগতি রুখতে সাহায্য করবে।'
অনেক ভোটারই জানিয়েছেন, তাঁরা লোকসভা নির্বাচনে অংশ নিলেও বিধানসভা নির্বাচনে আগ্রহ কম দেখান। সেই প্রবণতা বদলাতেই বিজেপির এই বিশেষ উদ্যোগ।এই কেন্দ্রে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সিপিএম প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন শ্রীজীব বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু একাধিকবার ভবানীপুর সফর করেছেন, যদিও মমতা এখনও সেখানে প্রচারে নামেননি।ভবানীপুর কেন্দ্রটি কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত, এবং সবকটিতেই তৃণমূলের কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে বিজেপির দাবি, কিছু ওয়ার্ডে তারা ভালো অবস্থানে থাকলেও ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে এখনও পিছিয়ে রয়েছে।