একইসঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারকও সেখানে থাকতে পারবেন না। একই নিয়ম জারি করা হয়েছে ওড়িশা-বালাসোর সীমান্তেও। যাঁরা ওড়িশার বাসিন্দা তাঁদের আপাতত দিঘায় প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
যাঁরা বর্তমানে সেখান রয়েছেন তাঁদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিঘা এবং শঙ্করপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, 'কমিশন থেকে নির্দেশ এসেছে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে এই জেলার ভোটাররা ছাড়া কেউ এখানে থাকতে পারবেন না। ফলে, অন্য জেলা বা রাজ্য থেকে যে পর্যটকরা এসেছেন তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে হোটেল ছাড়তে। আমরা সোমবার রাত থেকেই মাইকিং করে জানিয়েছি সবাইকে। এই মাইকিং দিঘা, তাজপুর, মন্দারমনি সব জায়গাতেই শুরু করে দিয়েছি আমরা।'
কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাইরের কোনও রাজনৈতিক নেতা বা কর্মী দিঘা-সহ আশপাশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে থাকতে পারবেন না।
প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। সেই অনুযায়ী হোটেল ও গেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষও জানিয়ে দিয়েছে, ২১ এপ্রিল বিকেল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও বহিরাগত অতিথিকে রাখা হবে না।
কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নিয়ম ভাঙলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের ২২৩ নম্বর ধারায় শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।