পাকিস্তানে হওয়া শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তান নিজেই জন্ম দেয় জঙ্গিদের। সেই দেশে হওয়া শান্তি চুক্তি কখনোই সফল হয় না, হয়ও নি। আমেরিকার শর্তে রাজি হল না ইরান। খালি হাতেই ইসলামাবাদ থেকে আমেরিকার ফিরলেন জেডি ভান্স। তাঁর দাবি, বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। তাঁদের তরফে যতটা সম্ভব চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু, ইরান রাজি হয়নি। কোনও ডিল ছাড়াই তাঁদের ফিরে হচ্ছে। ভান্সের এই মন্তব্যের পরই সুর চড়িয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকা যে দাবিগুলো করেছে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। পাল্টা ট্রাম্পের হুংকার হরমুজ় খুলতেই হবে।
ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, স্বাভাবিকভাবে শুরু থেকেই একটি মাত্র বৈঠকেই কোনও চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা করা উচিত ছিল না। এমন কোনও প্রত্যাশা কারও ছিলও না। তাহলে কি আবারও শান্তি বৈঠক হতে পারে? নাকি দুই পক্ষই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে চলেছে? সংশয়-উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। হরমুজ় নিয়েও বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বেরোয়নি। এদিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজের দখল তারা ছাড়বে না। এদিকে, শান্তি বৈঠক ভেস্তে যেতেই চটে লাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ় খুলতেই হবে। হরমুজ়ে মাইন সরানোর কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের হুংকার, ‘হরমুজ় খুলেই ছাড়ব।’ যুদ্ধের প্রায় এক মাস পর ইসলামাবাদে মুখোমুখি হয় ইরান ও আমেরিকা। গতকাল সেদিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের। কিন্তু, ২১ ঘণ্টা বৈঠকের পর জেডি ভান্স বলেন, “আমরা খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছি আমাদের ‘রেড লাইন’ কোথায়, কোন বিষয়গুলোতে আমরা তাদের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত এবং কোন বিষয়গুলোতে আমরা মোটেও ছাড় দিতে রাজি নই।