বিজেপির অর্জুন সিং ও রাজেশ মাহাতোর বিরুদ্ধে নির্বাচনের বিধিভঙ্গের অভিযোগ তৃণমূলের

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। এখন দুই দল দুই দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ এনে চলেছেন। এবার অভিযোগ আনলো তৃণমূল। ভোটের মুখে দেদার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। কোনও প্রার্থী নতুন প্রকল্পে হিসেবে মাতৃশক্তি ভরসা, যুবশক্তি ভরসা কার্ড বিলি করছেন তো কেউ নগদ টাকা বিলোচ্ছেন! এমনই আটটি ঘটনার নমুনা তুলে ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করল তৃণমূল। যদিও এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁর দাবি, বিজেপিকে টাকা দিয়ে ভোট টানতে হয় না, ওসব তৃণমূলের সংস্কৃতি। তবে বিজেপি প্রার্থীদের অর্থবলের উপর ভিত্তি করে ভোটে জেতার চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে যথেষ্ট হইহই পড়েছে। কমিশনে দায়ের করা অভিযোগে তৃণমূলের দাবি, ভোটের আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা মাতৃশক্তি ভরসা, যুবশক্তি ভরসার মতো কার্ড বিলি করছেন। সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতি তাঁরা ভোটের আগেই বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন, যা একেবারে বিধিভঙ্গ। আবার কোনও কোনও প্রার্থী এই প্রকল্পের নামে নগদ বিলি করছেন ভোটারদের মধ্যে। 

নমুনা হিসেবে তৃণমূল তুলে ধরেছে নোয়াপাড়া, গোপীবল্লভপুরে অন্নপূর্ণ ভাণ্ডারের নামে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং ও রাজেশ মাহাতোদের ৩ হাজার টাকা করে নগদ বিলির প্রসঙ্গ। অভিযোগের তালিকা আরও দীর্ঘ। ভাটপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুনপুত্র পবন সিং প্রচারে বেরিয়ে নাকি গীতার সঙ্গে টাকা বিলি করছেন, পাণ্ডবেশ্বরের ক্লাবে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এছাড়া সোনারপুর দক্ষিণ, ইংরেজবাজার, বাগদায় নারীশক্তি ভরসা বিলি করার অভিযোগও রয়েছে বিজেপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এনিয়ে পালটা দিয়েছেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী। তিনি বলেন, “বিজেপিকে ঘুষ দিয়ে ভোট নিতে হয় না। এই সংস্কৃতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (তৃণমূল প্রার্থী) শিখিয়েছেন পাণ্ডবেশ্বরের মানুষকে। তাঁদের গরিব রেখে নিজের প্রতিপত্তি বিস্তার করেছেন উনি। এটা ধংস করতেই আমি মাঠে নেমেছি।” 

Post a Comment

Previous Post Next Post