মেঝেতে মার্বেল, নতুন গম্বুজ, ‘অপারেশন সিঁদুরের’ ধাক্কা সামলে ফের তৈরি হলো জৈশের হেড কোয়ার্টার


‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের। পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে সংগঠনটির অন্যতম প্রধান ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মারকাজ সুভানাল্লার পরিকাঠামো নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মেঝেতে নতুন মার্বেল বসানো থেকে শুরু করে গম্বুজ সংস্কার—ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ফের ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।
পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। সেই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবার পরিকাঠামো। হামলায় বাহাওয়ালপুরের জইশ ঘাঁটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে ভারতীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছিল।
এর পরেই ওই ঘাঁটিতে ফের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে বলে খবর। ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোও বদলানো হয়েছে। নতুন করে মার্বেল বসানো হয়েছে মেঝেতে। একই সঙ্গে গম্বুজের কাজও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও জঙ্গি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো দ্রুত পুনর্গঠন করার ঘটনা পাকিস্তানে তাদের কার্যকলাপের ধারাবাহিকতা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলতে পারে। বিশেষ করে ভারতীয় হামলার পরেও যদি ওই সংগঠনের ঘাঁটি সক্রিয় হয়ে ওঠে, তা হলে জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নজরদারির প্রয়োজন আরও বাড়বে।
তবে ওই ভবন বর্তমানে ঠিক কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে জইশের কতটা সাংগঠনিক কার্যকলাপ চলছে এবং পুনর্নির্মাণে কারা অর্থ জোগাচ্ছে—এই সব প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর এখনও সামনে আসেনি। ফলে নতুন করে তৈরি হওয়া এই পরিকাঠামোকে ঘিরে ভারতীয় নিরাপত্তা মহলের নজরও স্বাভাবিক ভাবেই বাড়তে পারে।

Post a Comment

Previous Post Next Post