গত শুক্রবার বদ্রীনাথের কাছে ফের হেলকপ্টারে বিপর্যয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক পাইলট সহ ৬ জন। এরপরই চারধামে কপ্টার পরিষেবা নিয়ে কড়াকড়ি। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ সূত্রে খবর, ২ নভেম্বর থেকে চারধাম যাত্রায় হেলিকপ্টার পরিষেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অপারেটররা।
পরপর কপ্টার বিপর্যয়ে প্রাণহানির ঘটনা। একজন করে পাইলট যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছে ডিজিসিএ। এবার থেকে প্রতিটি চার্টার হেলিকপ্টারে দু’জন করে পাইলট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিয়ম মানা না হলে চারধাম যাত্রায় কপ্টার পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ওই সংস্থা। প্রসঙ্গত, গত ৩০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়। ট্রান্স ভারত এভিয়েশনের হেলিকপ্টার বদ্রীনাথ থেকে দেরাদুনে ফেরার পথেই চামোলি জেলায় জোশীমঠের কাছে ভেঙে পড়ে। এরপরই চারধাম যাত্রায় কপ্টার পরিষেবা নিয়ে নির্দেশিকা জারি ডিজিসিএ-র।
নির্দেশিকায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ২ নভেম্বর প্রতিটি চার্টার্ড উড়ানে যে জন পাইলট থাকবে, কো-পাইলটের পাহাড়ি এলাকায় বিমান চালানোর যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়াও উড়ানের আগে কন্ট্রোল রুম ও গোটা যাত্রাপথের এলাকার অনুমতি নিতে হবে। হেলিপ্যাডে অবতরণের পর পাইলটকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অপারেটরদের বক্তব্য, প্রতিটি কপ্টারে দু’জন করে পাইলট থাকলে সেক্ষেত্রে পরিচালন খরচ, ক্রু এর প্রয়োজনীতা, লজিস্টিক খরচ মিলিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। ডিজিসিএ এবং উত্তরাখণ্ড সিভিল অ্যাভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি-কে এই নির্দেশিকা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছে অপারেটদের তরফে। নির্দেশিকা কার্যকর করার আগে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনায় দাবিও জানানো হয়েছে।