উৎসবের আবহে এমনিতেই ঘি-মাখনের চাহিদা বেড়েছে। যেকারণে দাম বৃদ্ধির পথে হাঁটতে পারে কোম্পানি। অন্যদিকে অনেকের অনুমান, আমুলের নামে নকল ঘি ও মাখনের প্যাকেট রুখতে এই কাজ করে থাকতে পারে সংস্থা। আগামী দিনে দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতারকরা আমুলের প্যাকেট বিক্রি করতে গলে দামের তারতম্য়ের কারণে সহজেই ধড়া পড়বে।
এবার থেকে আমুল ঘিয়ের দাম লিটারে ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন এক কেজি আমুল ঘিয়ের দাম পড়বে ৬৮০ টাকা। আগে এই ঘিয়ের দাম ছিল ৬৩০ টাকা। একইভাবে দাম পরিবর্তন করা হয়েছে আমুলের মাখনের প্যাকেটে। এখন ৫০০ গ্রাম মাখনের দাম ১৫ টাকা বাড়িয়েছে কোম্পানি। এখন এর দাম হয়েছে ৩২৫ টাকা। আগে এর দাম ছিল ৩১০ টাকা। অন্যদিকে, ১০০ গ্রাম মাখনের দাম ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগে এই মাখনের দাম ছিল ৬৩ টাকা, যা এখন ৬৬ টাকা করা হয়েছে।
কেন দাম বাড়ল আমুলের পণ্যের ?
দীপাবলির আগে এমনিতেই ঘিয়ের চাহিদা বেড়েছে। পাশাপাশি মাখনের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই চাহিদা ও জোগানে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই পথে হেঁটেছে কোম্পানি। সম্প্রতি চাহিদা বাড়ায় আমুলের এই ধরনের প্রোডাক্টের বাজারে সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। অন্যদিকে, অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগ নিয়ে ঘিয়ের কালোবাজারিও বাড়ছিল। বিষয়টি সামনে আসতেই সাধারণ মানুষ নামী ব্র্যান্ডগুলোর দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে।
সম্প্রতি দুধের মূল্য় বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে এই রাজ্যের সরকার। ১ তারিখ থেকে লিটার পিছু ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে দুধের দাম। মন্ত্রিসভায় এই বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এবার থেকে এক লিটার দুধের দাম হবে ৬০ টাকা।
কোন রাজ্যে হয়েছে এই ঘোষণা
সম্প্রতি কংগ্রেসশাসিত কর্ণাটক সরকার নিয়েছে এই সিদ্ধান্ত। এরফলে নন্দিনী শুভম দুধের দামে এই বৃদ্ধি হয়েছে। আগে এক লিটার এই দুধের দাম ছিল ৫২ টাকা। এবার ৮ টাকা বেড়ে যা হবে ৬০ টাকা। যদিও এই দুধের দাম বৃদ্ধির ফলেও অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কর্ণাটকে দুধের দাম অনেক কম রয়েছে। অন্য ১০টি রাজ্যের এক লিটার দুধের দামের গড় ৬২টাকা ৮০ পয়সা।