খবর বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : সাংসদ তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছিল এক সিআইএসএফ মহিলা জওয়ানের বিরুদ্ধে। গত জুন মাসের ওই ঘটনায় দেশ জুড়ে হইহই পড়ে যায়। কঙ্গনাকে চড় মারার পর চন্ডীগড় বিমানবন্দরের মহিলা নিরাপত্তারক্ষী কুলবিন্দর কৌরকে খেসারতও দিতে হয়েছে। ঘটনার পরই অভিযুক্ত কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়।
এদিকে বুধবার শোনা যায়, এক মাসের মধ্যেই কুলবিন্দরের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁকে বেঙ্গালুরুতে ট্রান্সফারও করে দেওয়া হয়েছে! এই নিয়ে যখন শোরগোল চলছে তখন কুলবিন্দর নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি এখনও সাসপেন্ড থাকবেন। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্ত চলছে।
গত ৬ জুন চণ্ডীগড় থেকে দিল্লি আসার জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন কঙ্গনা। সেখানে সিকিউরিটি চেকের সময়ই ঘটে বিপত্তি। নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান কুলবিন্দর কৌর অভিনেত্রীকে সপাটে চড় মারেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে ফোন নিয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন কঙ্গনা। তাঁকে নাকি সিকিওরিটি চেকের সময়ে বার বার ট্রে-র ভিতরে ফোন রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সাংসদ রাজি হননি। আর তাতেই রেগে গিয়ে চড় মারেন ওই জওয়ান। কিন্তু পরে ওই জওয়ানেরই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।
কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতার কারণে অভিনেত্রীর উপর ক্ষোভ ছিল পাঞ্জাবের কাপুরথালার বাসিন্দা ওই সিআইএসএফ জওয়ানের। শোনা গিয়েছে, চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে ওই জওয়ানের সঙ্গে কঙ্গনার বাকবিতন্ডায় শুরু হয়। অভিনেত্রীকে দেখেই ক্ষোভ উগড়ে দেন কনস্টেবল। রাগের বসে সপাটে চড় মারেন সাংসদকে।
ঘটনার পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কুলবিন্দর কৌর এক ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সামনে এসে বলছেন, কৃষক আন্দোলনের সময়ে কঙ্গনা যে মন্তব্য করেছিলেন, সেটি তাঁর মোটেই পছন্দ হয়নি। তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘উনি (কঙ্গনা) কি ওখানে বসেছিলেন যে মন্তব্য করেছিলেন। আমার মা ওই আন্দোলনে বসেছিলেন।’ যদিও এই ভিডিওতে যে জওয়ানকে দেখা যাচ্ছে, তিনিই কঙ্গনাকে চড় মেরেছেন কিনা তার নির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।