পর্তুগালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স, ইউরো থেকে বিদায় রোনাল্ডোর


খবর বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক : ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নাকি কিলিয়ান এমবাপে— কার জন্য এ বারের ইউরো কাপে শেষ হবে? এটাই ছিল ফুটবল মহলের প্রশ্ন। সেই উত্তর পাওয়া গেল জার্মানির হ্যামবার্গ স্টেডিয়ামে। কোয়ার্টার ফাইনালে ১২০ মিনিটে পর্তুগাল ও ফ্রান্স কোনও দলই গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ফ্রান্স আটকে দিল পর্তুগালকে। এ বারের মতো শেষ হয়ে গেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ইউরো যাত্রা। আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, এটি তাঁর কেরিয়ারের শেষ ইউরো। খেতাব জিতে ইউরো সফর শেষ করতে পারলেন না সিআর সেভেন।

এই ম্যাচে আলোচনায় ছিলেন রোনাল্ডো ও এমবাপে। কিন্তু পুরো ম্যাচ জুড়ে তাঁদের ছাপ দেখাই গেল না। এমবাপে তো পুরো ম্যাচও খেলেননি। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের পর তাঁকে তুলে নেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেঁশ। যে কারণে পেনাল্টি শুটআউটে তাঁর শট মারা হয়নি। তাতে অবশ্য ফ্রান্সের জিততে সমস্যা হয়নি। টাইব্রেকারে ম্যাচ গড়ানোর পর পর্তুগালের বড় ভরসা ছিলেন গোলকিপার দিয়েগো কোস্তা। তিনি আগের ম্যাচে স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে তিনটি সেভ করেছিলেন। তবে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কোস্তা একটি সেভও করতে পারেননি।

ফ্রান্সের হয়ে প্রথম শট নেন ওসমানে দেম্বেলে। তিনি সফল হন। পর্তুগালের হয়ে প্রথম শট নেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১। এরপর ফ্রান্সের হয়ে দ্বিতীয় শট নেন ইউসুফ ফোফানা। অন্যদিকে পর্তুগালের হয়ে দ্বিতীয় শট নেন বের্নান্দো সিলভা। পর্তুগালের জোয়াও ফেলিক্সের শট পোস্টে লাগে। সেখানেই ম্যাচের পার্থক্য তৈরি হয়। শেষ অবধি ট্রাইবেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ফ্রান্স। এই নিয়ে ষষ্ঠ বার উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে খেলবে ফ্রান্স।

Post a Comment

Previous Post Next Post