কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?
১) হোটেল মালিকদের জানানো হয়েছে, আজ পর্যন্ত ১০ টাকা হারে ট্যুরিস্ট সিভিক অ্যামেনিটিজ চার্জ সংক্রান্ত যা বকেয়া রয়েছে, তা ২০ নভেম্বর মধ্যে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদে জমা করতেই হবে। নির্ধারিত সময়ে জমা না হলে সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে পর্ষদ। নিয়মভঙ্গ হলে জরিমানাও ধার্য হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
২) হোটেলের বর্জ্য পদার্থ নিয়েও মালিকদের কড়া নির্দেশ দেয় পর্ষদ। স্পষ্টভাবে জানানো হয়, তরল ও কঠিন বর্জ্য আলাদা করে ডিএসডিএ-র গাড়িতে জমা দিতে হবে। কোনও সমস্যা হলে সরাসরি ডিএসডিএ-র পোর্টালে জানাতে হবে হোটেল কর্তৃপক্ষকে।
৩) হোটেলের সামনে রাস্তাঘাট সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।
৪) প্রতিটি হোটেলে সেপটিক ট্যাঙ্কের সঙ্গে শোকপিট তৈরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যে সব হোটেলে এখনও সেপটিক ট্যাঙ্ক নেই, তাদের আগামী সাত দিনের মধ্যেই তা তৈরি করতে হবে। কোনও প্রকার গাফিলতি ধরা পড়লে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ দিনের বৈঠকে দিঘার খারাপ রাস্তাঘাট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যের মাঝেও খারাপ রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরেই পর্যটকদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। রাস্তা সারাইয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ। সূত্রের খবর, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই দিঘা ও শঙ্করপুরের রাস্তাঘাট সারাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। শীতের আগে পর্যটকের চাপ বাড়ার কথা মাথায় রেখেই এই দ্রুত উদ্যোগ।