সায়ক চক্রবর্তীর পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। কিছুদিন আগেই দেবলীনা নন্দীর বিয়ে বিচ্ছেদ বিতর্কে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। তিনিই নাকি তাঁর দাম্পত্যে ভাংচি দিচ্ছেন এমনটাই রব উঠেছিল। তবে,সেসব ঘটনা এখন অতীত। বর্তমানে যে ফ্যাসাদে ফেঁসেছেন তিনি, তা ভয়ঙ্কর। রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েই গো-মাংস মুখে পড়তেই রে রে কাণ্ড!
সায়ককে ভিডিওতে বলতে শোনা যায় আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, 'আপনারা এটা করতে পারলেন?' অভিনেতা তাঁর বন্ধু বান্ধবকে নিয়ে ওলি পাবে খেতে গিয়েছিলেন। সেখানেই যা হল, বর্তমানে বীভৎস ফ্যাসাদে পড়েছেন তিনি। গো-মাংস ভক্ষণের ভিডিও এবং চিৎকার চেঁচামেচি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল। অভিনেতা সেই রেস্টুরেন্টে বসেই যখন জানতে পারেন তাঁকে গো-মাংস দেওয়া হয়েছে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। সোজাসুজি সেই ওয়েটারকে যা নয় তাই বলেন।
তবে, এই ঘটনার জেরেই তাঁকে ধর্মবিদ্বেষী তকমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার রেশ জানতেই সায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। যে ভিডিওর কারণে এত বিপত্তি- সেটিও এর সমাজ মাধ্যমে নেই। সায়ক বলছেন আমি ভিডিওটি ডিলিট করিনি। আসলে ঐ ভিডিওটায় এত কপিরাইট এসেছে যে সেটা রিমুভ হয়ে গিয়েছে।
অভিনেতা এও জানান, যে ওলি পাবের বিরুদ্ধে তিনি এফআইআর দায়ের করেছেন। যদিও সেই প্রক্রিয়া কতদুর এগিয়েছে সেই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
কী ঘটেছিল আসলে?
অভিনেতা বলেন, "আমরা মটন স্টেক অর্ডার করেছিলাম। এবার যা অর্ডার করব, সেটা আসবে, এটাই তো স্বাভাবিক। আমরা তো রান্নাঘরে ঢুকে দেখতে যাইনি আসলে কী দিয়েছে। আমাদের ওরা প্লেট দিয়ে যায় আমরা খেয়ে ফেলেছি। তারপর, কিছুক্ষন পর, আরেকজন প্লেটে অর্ডার নিয়ে এসে বলে, এটা মটন স্টেক। আমরা তো অবাক, তাহলে যেটা খাচ্ছিলাম সেটা কী? তখন উনারা খুব ক্যাসুয়ালি বলে দিলেন, এটা তো বিফ। শুনে তো আমরা অবাক। আমরা ততক্ষণে খেয়ে ফেলেছি অনেকটাই।"