সমস্যা হল এই তিনজন বিধায়ক সংখ্যালঘু। এদের ভালো প্রভাব আছে মানুষের মধ্যে। এই মুহূর্তে যদি তাদের বদলে অন্য নাম আনা হয়, আহলে দলের ক্ষতি। বর্তমানে তাঁদের নাম ‘বিচারাধীন’ তালিকায় থাকায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের আগে যদি ভোটার তালিকার সম্পূরক তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত না হয়, তাহলে প্রার্থীপদ নিয়েই বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে।এই তিনজনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ গোলাম রব্বানি নাম বিচারাধীন তালিকায় ওঠার পর তাঁর সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ২০১১ সাল থেকে তিনি টানা তিনবার এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শীর্ষ নেতৃত্ব আশাবাদী যে সম্পূরক তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে প্রয়োজনে বিকল্প প্রার্থী দেওয়ার বিষয়েও ভাবনা শুরু হয়েছে। রাব্বানি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমার নাম এখন বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমি আশাবাদী যে সম্পূরক তালিকায় তা ঠিকই চলে আসবে। আর না হলেও আমাদের সামনে অন্য পথ খোলা রয়েছে।'
একই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তাঁর দাবি, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরেও হঠাৎ করেই তাঁর ও তাঁর পরিবারের কয়েকজনের নাম বিচারাধীন তালিকায় তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পূরক তালিকায় তাঁর নাম ফিরে আসবে। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ কেন্দ্রের বিধায়ক তোরাফ হুসেন মোল্লার ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, নামের বানানে সামান্য ত্রুটির কারণে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।