তৃণমূল কর্মী রবীন্দ্রনাথ মান্না খুনে অভিযুক্ত নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র জানা

রাজনৈতিক পালা বলদল ও জামা পরিবর্তন এখন বাংলার রাজনীতিতে একদম জলভাত। কে যে কখন কোন স্বার্থে দোল পাল্টায় তা বলা যায় না। যেমন যায় নি তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার আগের দিন কেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা পবিত্র কর তৃণমূলে যোগ দিয়ে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হয়ে গেলেন। এখন হয়তো কিছুটা পরিষ্কার হচ্ছে। ২০২২ সালে নন্দীগ্রামের তৃণমূল কর্মী রবিন মান্না খুন হন বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় তৎকালীন বিজেপি নেতা ও বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র জানা গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেই পবিত্রকে নিয়ে শাসকদল তৃণমূল সন্তুষ্ট হলেও আদৌ কি সন্তানহারা পরিবার খুশি? সেই প্রশ্ন কিন্তু এই নির্বাচন আবহে উঠছে নন্দীগ্রামে। সেই বিষয়টি নিয়ে কম জলঘোলা ও হয়নি। সেই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পবিত্র। বেশ কয়েকদিন জেলও খেটেছিলেন তিনি। বর্তমানে শিবির বদল করে সেই পুরোনো দল তৃণমূলে ফিরেছেন পবিত্র। কিন্তু যে পরিবারের মানুষের মৃত্যু হল, তাঁরা কী করবেন? 

তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র জানা বলেন, “আমি প্রথম দিনই একটা কথা বলেছিলাম, অন্যান্য বিধানসভার তুলনায় নন্দীগ্রামে প্রচুর মামলা রয়েছে। রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা রয়েছে। তাঁর অবসান ঘটানো প্রয়োজন। দল মত নির্বিশেষে এই মামলাগুলির নিষ্পত্তি প্রয়োজন। সেই বাম আমল থেকে কত মিথ্যা মামলা চলছে…আজ দেখলে কষ্ট হয় ৮০ বছরের বৃদ্ধারা নদী পেরিয়ে কোর্টে যাচ্ছেন। এর পরিবর্তন ও স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন। যদি ক্ষমতায় আমরা আসি, কীভাবে এই মিথ্যা মামলাগুলির নিষ্পত্তি ঘটানো যায় তার এজেন্ডা আমার কাছে থাকবে।” তবে কি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে? এর উত্তর খানিক ঘুরিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বললেন, “কোনটা মিথ্যা কোনটা সত্যি সেটা কোর্ট দেখবে। মিথ্যা হলে নিশ্চয়ই বেকসুর খালাস পাব।”

Post a Comment

Previous Post Next Post