পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলাকালীন জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরববরাহ নিয়ে দেশ কতটা প্রস্তুত এবং কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে,তা নিয়ে শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।যদিও পশ্চিমবঙ্গ-সহ যে ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে ওই রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের এই তালিকায় রাখা হচ্ছে না। সেই রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর।আর এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য মোদি সরকারকেই লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছে বিরোধীরা। করোনার লকডাউনের কথা মনে করিয়ে নিয়ে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মূলত সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,লকডাউন করে মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখবেন। প্রদেশ কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ রায় বলেন, এখন উনি (নরেন্দ্র মোদি)... ওই ঠ্যালায় পড়লে বেড়াল গাছে ওঠে। অল পার্টি মিটিং ডাকছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারতের কাছেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস ও সারের মতো জরুরি জিনিসের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। আর এবার যখন মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী, তখন ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গ থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে, আবার অ্যালার্ট করেছে। ওনাদের অ্যালার্ট করার মানে তো আমি বুঝি। লকডাউন করবে ভাবছে কিনা? জানি না, করলে করবে। লকডাউন করে মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখবেন।মানুষকে ঘরবন্দি করবেন, মানুষকে নোটবন্দি করবেন, মানুষকে ভোটবন্দি করবেন, মানুষের নাম কেটে দেবেন! জেনে রাখবেন কোভিডের সময়েও লকডাউন ছিল। আমরা '২১ সালে কোভিডের মধ্যে যদি লড়াই করতে পারি, যেকোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করে লড়াই করার জন্য আমরা রাজি আছি।'