ট্রাম্পের অহংকার কিছুটা হলেও থমকে দাঁড়িয়েছে ইরানের সামনে। ট্রাম্প বেশ বুঝতে পারছে অত সহজে আর ইরানকে গ্রাস করা যাবে না। বরং মার্কিন হামলার পর আহত বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইরান। বেলাগাম ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতবিক্ষত মার্কিন ফৌজ। রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে সেখানে থাকা মার্কিন সেনা জওয়ানদের হোটেলে গিয়ে উঠতে হয়েছে। সেখান থেকে কাজ চালালেও পদে পদে আসছে বাধা। যার জেরে যুদ্ধের কার্যকলাপ ব্যাহত হচ্ছে আমেরিকার।
মূল সেনাঘাঁটিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ায় বেশিরভাগ সৈনিককে ইউরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিরা মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। সেনাঘাঁটিতে প্রবেশ করে যুদ্ধ পরিচালনা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সেনার একটি বড় অংশ দূর থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করছে। বিরাট সমস্যা সত্ত্বেও পেন্টাগনের অবশ্য দাবি, অভিযান অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেন, এখনও পর্যন্ত আমরা ইরান ও তাদের সেনাবাহিনীর ৭০০০-এর বেশি ঠিকানায় হামলা চালিয়েছি। তবে আমেরিকা ইরানের মাটিতে মারণ হামলা চালানোর দাবি করলেও রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি আর ব্যবহারযোগ্য নয়।