ইরানের আকাশে 'ব্ল্যাক রেন' - দূষণে ভরছে আকাশ

ইজরাইল ই আমেরিকার যৌথ আক্রমনে নজেহাল ইরান। এই যৌথ বাহিনী ক্রমাগত আগ্রমন করে চলেছে ইরানের তৈল ভাণ্ডারে। বেছে বেছে হামলা চালিয়েছিল দেশটির তৈলভাণ্ডার এবং তৈল শোধনাগারগুলিতে। তার পরিণতি হল ভয়ংকর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে এবার আকাশ থেকে নেমে এল ‘কালো’ বৃষ্টি! বড় বড় জলের ফোঁটা। কিন্তু পুরোপুরি জলীয় নয়। তেল মিশে রয়েছে তাতে। হাতে পড়লে চট চট করছে। বৃষ্টিকণার রংও জলের মতো স্বচ্ছ নয়। কালো। তেহরানের বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এই ‘ব্ল‍্যাক রেন’। ‘কালো’ বৃষ্টি। যার পর থেকেই শহরের আর কেউ সহজ-স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছেন না। শ্বাসকষ্ট তো হচ্ছেই। সঙ্গে চোখজ্বালা করছে, চোখ দিয়ে জলও পড়ছে কারও কারও। সব মিলিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি। একে যুদ্ধের আতঙ্ক, তায় আবার প্রকৃতির এই বিষম রূপ।

প্রশ্ন, কীভাবে এর কবলে পড়ল ইরান? উত্তর-দেশটির বেশ কিছু তৈলভাণ্ডার ধ্বংস করেছিল নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পের সেনা। এছাড়াও মুহুর্মুহু চলছিল ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র এবং ফাইটার জেট নিয়ে হামলা। এ সবের জেরে ইরানের আকাশে ক্রমাগত জমছিল ঘন কালো ধোঁয়া। প্রবলভাবে হচ্ছিল বায়ুদূষণ। আর সেই দূষণ থেকেই কালো বৃষ্টি। বাতাসে দীর্ঘ সময় ধরে জমতে থাকা দূষিত পদার্থ, রাসায়নিক বৃষ্টির জলের সঙ্গে মিশে মাটিতে পড়েছে। বহুলভাবে বাড়িয়েছে বাসিন্দাদের উদ্বেগ, স্বাস্থ্য সংকটের আশঙ্কা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, শুধু প্রবল বায়ুদূষণ হলেই যে ‘ব্ল‍্যাক রেন’ হয়, তা কিন্তু নয়। আগ্নেয়গিরি প্রবণ এলাকাতেও এমনটা ঘটতে পারে, দাবি বিশেষজ্ঞদের। দাবানল হলে বা বিপুল পরিমাণ লাভার উদগিরণ হয় যে জায়গায়, সেখানে দেখা দেয়। আবার শিল্পাঞ্চলগুলিতেও হতে পারে।

Post a Comment

Previous Post Next Post