এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, 'উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভয় তৈরি করতে চাইছেন। পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি বিচিত্র। উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভোটে হারছেন। এই ভয়ে উনি যা খুশি বলছেন।'
এই সব জল্পনা এক্কেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জরুরি বৈঠক করেছেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পেট্রোল, ডিজেল ও ATF-এর কোনও ঘাটতি হবে না এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এগুলির দাম বাড়ানো হবে না। তিনি আরও জানান, সরকার ইতিমধ্যেই পেট্রোল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্ক কমিয়েছে এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে (OMCs) সহায়তা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে তারা প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষকে মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়তে না হয়। নির্মলা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে সব রিফাইনারি বিদেশ থেকে কাঁচামাল এনে ভারতে পরিশোধন করে তা রফতানি করে, তাদের উপর এখন বেশি শুল্ক ধার্য করা হবে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যাতে জ্বালানি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেই বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় এবং বাইরে রফতানি না হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার নিশ্চিত করছে যাতে পেট্রোল, ডিজেল এবং এমনকি এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েল (ATF)-এর দাম না বাড়ে।
লকডাউন নিয়ে কী বললেন নির্মলা
লকডাউন নিয়ে ছড়ানো গুজবকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নির্মলা সীতারামন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন , কোভিড সময়ের মতো কোনও লকডাউন আর জারি করা হবে না। রাজনৈতিক মহলের কিছু মন্তব্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই ধরনের গুজব ছড়ানো ঠিক নয়।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধে পরিস্থিতির মধ্যে লকডাউন টানতে অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্র। পুরোপুরি শুল্কমুক্ত করা হয়েছে ডিজেলকে। লিটার প্রতি পেট্রোলে অন্তঃশুল্ক ১৩ টাকা থেকে কমিয়ে ৩ টাকা করা হয়েছে। অন্তঃশুল্ক কমিয়ে HPCL, BPCL, IOC-র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোকে সুরাহা দিয়েছে কেন্দ্র।