গতবার যেমন ভোটের ভরকেন্দ্র ছিল নন্দীগ্রাম, এবার তেমনই ভবানীপুর। সম্মুখ সমরে মমতা ও শুভেন্দু। ফল কি হবে তা তো ৪ তারিখ জানা যাবে। কিন্তু এখন থেকেই উত্তেজনা চূড়ান্ত। মমতা বলেছেন তিনি ১ ভোটে জিতলেও জিতবেন আর শুভেন্দু বলেছেন তিনি অন্তত ২৫ হাজার ভোটে জোটবেন।
বৃহস্পতিবার শুভেন্দু প্রচার শুরু করতেই রীতিমত সরগরম হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া এলাকায় প্রচারে নামেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা তাপস রায়সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। বিজেপি কর্মীরা এদিন ঢাক-ঢোল নিয়ে প্রচার শুরু করে দেন। সেই সঙ্গে তাঁদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা। বিলি করা হয় লাড্ডু। বাড়ি বাড়ি ঘুরে জনসংযোগ সারেন বিজেপি প্রার্থী।
সেই সময়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। বিজেপি যখন রাস্তায় প্রচারে ব্যস্ত, তৃণমূল শিবির তখন ব্যস্ত দেওয়াল লিখনে। উভয় পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বিরোধী দলনেতা বলেন ২৫ হাজার ভোটে ভবানীপুরে জিতবেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রাক্তনী শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম আসন থেকে ভোটে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর আসন থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। তবে পিছিয়ে নেই তৃণমূল কংগ্রেস। ভবানীপুরে ঘরের মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যেখানে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন শুভেন্দু অধিকারী, সেখানে নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পবিত্র করকে। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই পবিত্র করকে প্রার্থী করেছেন মমতা-অভিষেক। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই আসনেই বিজেপির টিকিটে লড়ছেন শুভেন্দু অধিকারী।