একসময় মমতা বলতেন ২৯৪ সিটেই তিনি প্রার্থী। তাই তিনি ঘুরে বেড়াতেন বাংলা জুড়ে। কিন্তু এবার কি ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে খুব সহজ সিট? ভোট বিশ্লেষকরা কিন্তু তা মনে করছে না। ভবানীপুরের এবারের লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি। সেই মমতাকেই নিজের কেন্দ্রে আটকে রাখতেই কি নন্দীগ্রাম সহ ভবানীপুরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি? এক প্রকার এই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কোন স্ট্রাটেজির জন্য ভবানীপুরে শুভেন্দু লড়ছেন? মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু এটা মাস্টারস্ট্রোক নাকি ডিফেন্সসিভ স্ট্রোক? সুকান্ত স্পষ্ট বলেন, “এটা মাস্টার স্ট্রোক। কারণ, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে দশবার ভাবতে হবে নিজের এলাকা ছাড়ার জন্য। ভাবনীপুর ছাড়ার অগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়াকে ভাবতে হবে তিনি ছাড়বেন কি ছাড়বে না।”
মমতা ব্যানার্জী পোড় খাওয়া বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।তিনি অভিজ্ঞ। রাজনীতির অঙ্কের হিসাব সব তাঁর গুলে খাওয়া। ফলে, তাঁকে পরাজিত করতে পারে এমন একটি হেভিওয়েট মুখ প্রয়োজন বিজেপির। সেক্ষেত্র শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম নাম বঙ্গ বিজেপির। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে। তবে পরাজিত হয়েছেন। এবার শুভেন্দু লড়াই করছেন ভবানীপুরে। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগে তুলনামূলক আরও বেশি জোর দিতে হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।