সামনে আসলো বীরভূমের কাজল শেখের বিপুল সম্পত্তির পরিমান



সামনে আসলো বীরভূমের কাজল শেখের বিপুল সম্পত্তির পরিমান 

  নির্বাচনের সময় সমস্ত প্রার্থীদের হলফনামা দিয়ে তাদের সম্পত্তির পরিমান জানাতে হয়। সেই সূত্র ধরেই এবার বীরভূমের কাজলের সম্পত্তির পরিমান সামনে এলো। তিনি তৃণমূলের দাপুটে নেতা। বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। তৃণমূলের বীরভূম জেলা কোর কমিটির সদস্য। অনুব্রত মণ্ডল যখন জেলে ছিলেন তখন কার্যত গোটা বীরভূম জেলায় দলের সংগঠনকে শক্ত হাতে সামলেছেন। সেই ফায়েজুল হক ওরফে কাজল শেখ এবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত হাসন কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। কাজলের সম্পত্তির বহর নিয়ে বীরভূমে নানা মিথ শোনা যায়। কিন্তু বাস্তব কী বলছে, ঠিক কত সম্পত্তির মালিক কাজল ও তাঁর পরিবার? 

   হাসন কেন্দ্রে নির্বাচনী হলফনামায় নিজেই সেই খতিয়ান দিয়েছেন কাজল। তাতে বেশ চমকপ্রদ তথ্য রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে কাজলের বার্ষিক আয় ছিল ৮ লক্ষ ৩১ হাজার ২৯৪ টাকা। ওই সময় তাঁর স্ত্রী নাহিদা খাতুন আয় করেন ৭ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩৬৩ টাকা। কাজলের হাতে নগদ রয়েছে ১ লক্ষ ১৭ হাজার ২৫৬ টাকা। প্রার্থীর স্ত্রীর হাতে নগদ রয়েছে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭৯৯ টাকা। নানুরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় ৯ লক্ষ ৭৬ হাজার ৪৮৮.৩০ টাকা জমা রয়েছে কাজলের। শান্তিনিকেতনের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তাঁর আমানত ৪৩ লক্ষ ১৮ হাজার ১৫৫.৯২ টাকা। মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ – ৫৪ লক্ষ ১১ হাজার ৯০০.৩৬ টাকা। ব্যাঙ্ক ও গয়না মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৭ লক্ষ ৯০ হাজার ২২৮.১৮ টাকা। কাজল শেখের স্থাবর সম্পত্তির বহর নিতান্ত কম নয়। শুধু তাঁর নিজের নামেই রয়েছে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬৭০ টাকার স্থাবর সম্পত্তি। এর মধ্যে বেশ কিছু কৃষিজমি, পুকুর এবং বাড়ি রয়েছে। কাজলের স্ত্রীরও স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯৩ লক্ষ টাকার আশেপাশে। তাঁর হাতে সোনার গয়না রয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ ০৭ হাজার ৮০০ টাকার। এলাকায় বাহুবলি হিসাবে পরিচিত কাজলের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে মোট ৬টি।

Post a Comment

Previous Post Next Post