আবার নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন মমতার বিরুদ্ধে। স্পষ্ট বলেছিলেন, গতবার তিনি মমতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু এবার তার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর সাহস দেখালেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি শুধু আপনাদের বলব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি। আমি আপনাদের বন্ধু শুভেন্দু, আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। ভবানীপুরে ওনাকে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে পশ্চিমবঙ্গে যুবক-যুবতী-শিক্ষিত লোকেদের চাকরি নেই। পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটা গ্রামে গেলে, শয়ে শয়ে হাজার হাজার ছেলে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে অন্য রাজ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার কারণ এই রাজ্যে কোথাও কর্ম নেই। শিল্প নেই। আপনাদের কাছে আমার আবেদন, ২০-২১ টা রাজ্যে, বিজেপির সরকার চলছে। সেই সরকারগুলি, কীভাবে সুশাসন দিচ্ছে , আপনারা দিচ্ছে, আপনারা দেখেছেন। আমাদের নন্দীগ্রামে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে, ওড়িশা, গুজরাত,মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশে গিয়ে, রোজগার করে, বাড়িতে পাঠাচ্ছে।
শুভেন্দু বলেন, আপনাদের আশীর্বাদ আমি পেয়েছি, বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব দল দিয়েছে। ৫ বছর ধরে যেখানেই অন্য়ায় অত্যাচার হয়েছে, জনমত বা অন্য ধর্ম নির্বিশেষে, সেখানেই বিরোধী দলনেতা, মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছে। পাশে দাঁড়িয়েছে। যেখানেই মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে, খুন হয়েছে, ধর্ষণ হয়েছে, সেখানেই বিরোধী দলনেতা, আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছে। যেখানেই হিন্দুদের উপরে, আক্রমণ হয়েছে, মুর্শিদাবাদ হোক, মালদা হোক, মহেশতলা হোক, যেখানেই মন্দির ভেঙেছে, ঠাকুর ভেঙেছে, হিন্দু খুন হয়েছে, সেখানেই আপনাদের বিরোধী দলনেতা পৌঁছনোর চেষ্টা করেছে। তাই এবারে বিজেপি সরকার তৈরি করবে।