তৃণমূলের দুর্দান্ত প্রতাপ ছাত্রনেতা রাজন্যা হালদার বেশ কিছুদিন আগেই একগুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে তৃণমূল ছাড়েন। তারপরে একাধিক দলের দরজায় ঘুরলেও তেমন কোনো উৎসাহ দেখায় নি কেউ। অবশেষে নিজেই ঠিক করেন নির্দল হয়ে ভোটে দাঁড়াবেন। সোনারপুর দক্ষিণের পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা আসন থেকেও নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। কিন্তু আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তৈরি হয় জটিলতা। তিনি সময় মতো মনোনয়ন জমা দিতে পৌঁছলেও দেখা যায়, তাঁর প্রস্তাবকরা এসে পৌঁছননি। মনোনয়ন পেশের জন্য মূলত ৬ জন প্রস্তাবকের প্রয়োজন হয়। কিন্তু রাজন্যার মনোনয়ন পেশের সময় আগে থেকে ঠিক করে রাখা ৬ জন প্রস্তাবকই অনুপস্থিত ছিলেন। তড়িঘড়ি নতুন প্রস্তাবকদের আনা হয়। কিন্তু তাঁরা সময়মতো মনোনয়নের রুমে পৌঁছতে পারেননি।
এরপর বাধ্য হয়ে সময় শেষ হওয়ার আগে ৪ প্রস্তাবককে নিয়ে মনোনয়ন জমা করেন রাজন্যা। এরপর স্ক্রুটিনিতে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রস্তাবকদের আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছেন রাজন্যা। যদিও বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্যের সাফ কথা, “কমিশনের নিয়মে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, এতে আমাদের জড়ালে তো আর অযোগ্যতা ঢাকা পড়বে না।” রাজন্যা অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী সেখানে বিষয়টি তদারকি করছিলেন, যদিও সেদিন বিজেপির কোনও কাজ ছিল না। প্রশান্ত বলেন, “উনি প্রস্তাবক জোগাড় করতেই পারেননি। নির্বাচন কমিশন কেন অনৈতিক কাজ করতে দেবে? নাচতে না জানলে উঠানের দোষ।”