আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করতে রাজী না বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও সারা ভারত থেকে আনা হচ্ছে বহু মানুষকে মিটিং করার জন্য। গেরুয়া শিবিরের নয়া রণকৌশল, আগামী ৭ দিনে প্রথম দফার ১৫২ বিধানসভায় ছোট-বড় মিলিয়ে হবে প্রায় ৫০০টি সভা হবে। যাকে বলে 'কার্পেট বম্বিং'। সেই সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরকে চাপে রাখতে পয়লা বৈশাখ থেকেই শুরু হচ্ছে ‘১২টার চ্যালেঞ্জ’। প্রতিদিন ঠিক দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠকে করে তৃণমূলের উদ্দেশে একটি করে প্রশ্ন করবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটের আগে প্রচারে রাজ্যে ঝড় তুলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে প্রচারকৌশলে রয়েছে সুনির্দিষ্ট রণনীতি। অন্তত ৩০টি জনসভা করার কথা অমিত শাহের। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দু’জনেই অন্তত ১১টি করে জনসভায় ভাষণ দেবেন।
এদিকে, পয়লা বৈশাখ থেকেইরাজ্য বিজেপির কলকাতা ও জোনাল অফিসগুলিতে ঘড়ি ধরে দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠক করার প্রস্তুতি সারা। বস্তুত, তৃণমূলের দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে এই 'দৈনিক প্রশ্ন-চ্যালেঞ্জ' হাতিয়ার করতে চায় মোদী-শাহের দল। তবে এবারের ভোটপ্রচারে যোগী আদিত্যনাথের রণকৌশলে বড়সড় বদল এনেছে বিজেপি। গতবার মালদা বা মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় যোগীকে দিয়ে প্রচার চালানো হলেও এবার ফোকাস করা হচ্ছে গ্রামীণ ভোটারদের ওপর। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, অতিরিক্ত মেরুকরণ হিতে বিপরীত হতে পারে। মেরুকরণের হাওয়ায় সংখ্যালঘু ভোট ঢালাওভাবে তৃণমূলের বাক্সে পড়ার ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিজেপি। তাই গতবারের মালদা-মুর্শিদাবাদের বদলে এবার যোগীকে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্রামবাংলার মন জয়ে।