বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে এসে পৌঁছালো নববর্ষের শুভেচ্ছা

ভোট বড়ো বালাই। ভোট এখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে। স্বাভাবিক কারণেই একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা আসছে দিল্লি থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তাদের সকলের শুভেচ্ছাতে যেমন আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা রয়েছে, তেমনই উন্নয়ন ও সুশাসনের বার্তাও দেওয়া।বাঙালি নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী বাংলাতেই জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “পয়লা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা সদাবিরাজমান থাকুক। আপনার সুস্বাস্থ্য ও অনন্ত সুখ কামনা করি। ভারতের সভ্যতার চেতনাকে গড়ে তোলা পশ্চিমবঙ্গের কালজয়ী সাংস্কৃতিক উদযাপনেরও এটি একটি উপলক্ষ।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, “পয়লা বৈশাখের এই শুভ দিনে পশ্চিমবঙ্গের সকল ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সাহিত্যিক এবং বীর বিপ্লবীদের গৌরবে ভরা এই বাংলায় নতুন বছরে আসুক উন্নয়ন, সুশাসন ও সকলের কল্যাণের এক নতুন অধ্যায়। রাজ্যের সকল মানুষের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করছি।” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন বলেন, “পয়লা বৈশাখের এই পুণ্য লগ্নে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা! বাংলা নববর্ষের এই শুভ মুহূর্ত আমাদের মনে এক নবীন আশা এবং সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার সঞ্চার করে। বাংলার সুমহান ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক অহংকারের শিকড়ে প্রোথিত এই উৎসব আজ আমাদের অনুপ্রাণিত করে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে।" আবার একদম ভোরেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন -"শুভ নববর্ষে সকলকে শুভনন্দন জানাচ্ছি। সবাইকে অনেক অনেক নমস্কার, ভাল থাকবেন সকলে। বাংলার একটা ঐতিহ্য, গরিমা আছে, এটা আমাদের বাংলার নববর্ষ। সঙ্গে অনেক রাজ্যের নববর্ষ আছে। বাংলা সংস্কৃতি সম্প্রীতির পীঠস্থান, সমস্ত সামাজিক সংস্কার, জাতীয়তাবাদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের পীঠস্থান। বাংলা সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের পীঠস্থান।"

Post a Comment

Previous Post Next Post