এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে কয়েকটা সন্ধ্যায় কালবৈশাখী হলেও, অধিকাংশ দিন সকালেই কাঠফাটা রোদ! বিশেষ করে দুপুরের দিকটা গরমে বেরলে রীতিমতো অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মানুষ! বিশেষ করে খুব সাবধানে রাখতে হচ্ছে শিশুদের! এই পরিস্থিতিতে, বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর।রাজ্যের হিটওয়েভের পরিস্থিতি সামলাতে, পাহাড়ের ২ টি জেলা বাদে সমস্ত জেলা হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশিকা দিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতালগুলিকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে হিটওয়েভের পরিস্থিতি সামলানোর জন্য।গরমে সঠিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য সমস্ত হাসপাতালকে তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফরত। তার জন্য হাসপাতালগুলিতে বিশেষ পরিকাঠামো তৈরি রাখার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, গরম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে, এমন রোগীদের জন্য প্রতি হাসপাতালে অন্তত ২টি করে বিশেষ বেডের ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাসপাতালে এই ওয়ার্ডের জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আলাদা করে ব্যবস্থা রাখতে হবে।
প্রতি হাসপাতালে গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার জন্য, যে বিশেষ বেডের ব্যবস্থা রাখতে হবে, সেখানে পর্যাপ্ত AC বা কুলার বা হাই স্পিড ফ্যানের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
রিঙ্গার ল্যাক্টেড এবং সাধারণ স্যালাইনের কোন ঘাটতি হাসপাতালে রাখা যাবে না। প্রত্যেকটা জিনিসের যাতে সঠিক যোগান থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।ORS, আইস প্যাক, ঠান্ডা জল, ভেজা তোয়ালে, থার্মোমিটার, গ্লুকোমিটার, হাই ফ্লো অক্সিজেন, ওয়াটারপ্রুফ বডি ব্যাগ, জরুরী সব রকম ওষুধের বন্দোবস্ত রাখতে হবে ওয়ার্ডে।
হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে বাধা না পায়, সেইদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। দরকার হলে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনোভাবেই পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করা যাবে না।
প্রত্যেকদিন কতজন গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এলেন এবং কতজনের মৃত্যু হল তা, রোজ ভবনকে জানাতে নির্দিষ্ট দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি, শিশুদের ও বয়স্কদের সাবধানে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে। রোদে বেরনোর সময় সঙ্গে জল, ORS, ছাতা ও সানগ্লাস রাখার কথা বলা হয়েছে।