হঠাৎ ভোট গননা কেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে আনতে গেলো কেন নির্বাচন কমিশন? এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। উঠেছেও প্রশ্ন। গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে আনল কমিশন। প্রথমে ১৬৫ কেন্দ্রে গণনা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে এবার ৮৭ কেন্দ্রে এই কাজ হবে বলে জানাল কমিশন। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের কারণে ফলাফল বেরতে দেরি হতে পারে বলে মেনে নিয়েছে কমিশনের একাংশ। এর ফলে কি জটিলতা বাড়বে না। ঝঞ্ঝাট আরো বাড়বে না? অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা দক্ষিণের জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন। সোমবার ভোটারদের বোরোলিন ও বার্নল রাখার পরামর্শ দেন তিনি। হঠাৎ এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক কথা কেন বললেন কমিশন, তা প্রায় কেউ বুঝে উঠতে পারছে না।
এদিকে ভোটারদের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করতেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এই পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগ করে তৃণমূল। অভিযোগ পেয়ে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস ধরিয়েছে কমিশন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা নিয়ে একাধিক দফায় পরিবর্তনের পর অবশেষে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এ বারের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে গণনা কেন্দ্র করা হয়েছে ৮৭টি। প্রথম পর্যায়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর ১৬৫টি গণনা কেন্দ্রের নাম প্রস্তাব করেছিল। পরে তা কমিয়ে আনা হয় ১৫০-এ। নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশিকা জারির পর আরও এক দফা পর্যালোচনায় সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১১২। শেষ পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৮৭-এ। এক্সপার্টরা মনে করেন গণনা কেন্দ্র এতগুলো কমিয়ে দিলে জটিলতা বাড়বে বই কমবে না।