সুজিতের জীবনের বিরাট পরিবর্তন নিয়ে কি বললেন অর্জুন সিং
এ কথা সকলেই জানেন যতদিন সুজিত বসু বাম নেতা সুভাষ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ট ছিলেন তখন কেউ তার দিকে আঙ্গুল তুলতে পারে নি। তার ছিল রোলের দোকান। তারপরে হঠাৎ মমতা ও ফিরহাদ হাকিমের নজরে পরায় তাকে আর ফিরে তাকাতে হয় নি। তবে, শুধু সুজিতই নয়, এরপর আরও বড় বড় চোর ধরা পড়বে। বাদ যাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee)। এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রোলের দোকান থেকে সুজিত কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই অঙ্কটাও বুঝিয়েছেন তিনি। অর্জুন সিংয়ের দাবি, সুজিত বসুর রোলের দোকান ছিল। তারপর সেখান থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক। এখানেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারপরই ব্যাখা দিয়ে বলেন,”যে লোকটা একটা শুধু রোলের দোকান করত, আজ সে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার মালিক। আগুন লাগাত ফিরহাদ হাকিম, আর আগুন নেভাতেন সুজিত বসু। টাকা কালেকশন করে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত। এটাই তো সবাই জানে।”
অর্জুন সিং আরও দাবি করেছেন, সব চোর ধরা পড়বে। পার পাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “আরও সব চোররা ধরা পড়বে। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত। সবাই তাঁরা চাকরি চুরিতে জড়িত রয়েছেন। এটা শুরু হয়েছে। শেষ হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত যাবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।” উল্লেখ্য, সোমবার ইডি অফিসে প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাবাদ করা হয় সুজিত বসুকে। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। তারমধ্যে অন্তত ১৫০ জনের কাছে চাকরি বিক্রি করেছেন সুজিত বসু - এমনই অভিযোগ অর্জুন সিংয়ের।