কেন পুলিশে অভিযোগ নয় বুদ্ধদেবের বিরুদ্ধে, প্রশ্ন পড়ুয়াদের! রেজিস্ট্রারের অপসারণ ও গ্রেফতারি দাবি দক্ষিণপন্থী শিক্ষক সংগঠনের


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অন্তর্বর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ এবং রেজিস্ট্রারকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন পড়ুয়া ও শিক্ষক সংগঠনের একাংশ। বিশেষ করে বুদ্ধদেবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে কেন সরাসরি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে।
অন্য দিকে, দক্ষিণপন্থী শিক্ষক সংগঠনের তরফে রেজিস্ট্রারকে পদ থেকে সরানোর পাশাপাশি তাঁকে গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে। সংগঠনের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। সেই তদন্তের স্বার্থেই প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত।
প্রসঙ্গত, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধদেব সাউকে ঘিরে এর আগেও প্রশাসনিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। রাজ্যপাল তথা আচার্য সি ভি আনন্দ বোস তাঁকে অন্তর্বর্তী উপাচার্যের পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার ও রাজভবনের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে। উচ্চশিক্ষা দফতর বুদ্ধদেবকেই দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো এবং দায়িত্বশীল আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে। পড়ুয়াদের একাংশের বক্তব্য, কোনও গুরুতর অভিযোগ থাকলে তার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়া প্রয়োজন। শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, প্রয়োজন হলে পুলিশি তদন্তের মাধ্যমেও বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত।
যদিও অভিযোগ ও দাবিগুলির সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ফলে কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্য এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর বিশ্ববিদ্যালয় মহলের।

Post a Comment

Previous Post Next Post