কমিশনারের পক্ষ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে, ডিভিশনাল ডিসি ও ডিসি ট্রাফিক আধিকারিকদের তথ্য দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিসিদের অধীনে থাকা থানা ও ট্রাফিক গার্ডের ওসিদের সঙ্গে আলোচনা করে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুজো কমিটির সংখ্যা, ভিড় নিয়ন্ত্রণের বিস্তারিত পরিকল্পনা। অর্থাৎ কোন দিক থেকে দর্শনার্থীরা আসবেন, কোথায় বেশি ভিড় হতে পারে ও কোন পথ দিয়ে দর্শনার্থীরা বেরিয়ে যাবেন। পুজো মণ্ডপের তালিকায় কোনও সংযোজন বা বিয়োজন হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ-সহ একাধিক তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও ডিসি ডিভিশন ও ট্রাফিকের থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, এলাকায় কয়টা বড় পুজো রয়েছে। সেখানে আকর্ষণীয় কোনও থিম করা হচ্ছে কি না, কোন মণ্ডপে অনেক দর্শনার্থী আসতে পারেন। কোন রাস্তায় পথচারী বা যানবাহনের অত্যধিক চাপ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই তালিকার পাশাপাশি সংকীর্ণ স্থান থাকলেও তাও জানাতে হবে। পুজো কমিটিগুলোকে কোনও পরামর্শ দেওয়া আছে কি না, থাকলে তা কী? পুজো কমিটির সদস্যদের মধ্যে কোনও অভ্যন্তরীণ বিবাদ আছে কি না, থাকলে কোন বিষয়ে? গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে কোনও ঘাটতি থাকলে, কোন দিক উন্নত করা প্রয়োজন-সহ একাধিক তথ্য বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।