একনজরে
লন্ডনের টেমস নদীর তীরে এ বার আয়োজিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী ‘গঙ্গা আরতি’।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর লন্ডনের গ্রিনিচের ওল্ড রয়্যাল নেভাল কলেজে এই বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।
‘চিন্ময় মিশন ইউকে’ ও ‘টোটালি টেমস’ যৌথ ভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।
জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য অনুষ্ঠানটি উন্মুক্ত থাকবে।
অনুষ্ঠানে কোনও প্রবেশমূল্য নেই, তবে আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।
বিকেল ৪টে থেকে শুরু হবে দিনভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
লন্ডনে গঙ্গা আরতির আয়োজন
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সূর্যাস্তের সময় গঙ্গার ঘাটে প্রদীপ জ্বালিয়ে, শঙ্খধ্বনি ও মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে বিশেষ আরতি করা হয়। সেই আবহকেই এ বার তুলে ধরা হবে টেমসের তীরে। ‘চিন্ময় মিশন ইউকে’ এবং ‘টোটালি টেমস’ যৌথ ভাবে এই উদ্যোগ নিয়েছে।
দিনভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভারতীয় খাবার
লন্ডনের গ্রিনিচ শহরের ওল্ড রয়্যাল নেভাল কলেজে এই অনুষ্ঠান হতে চলেছে। কোনও প্রবেশমূল্য ছাড়াই সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। তবে আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। এ দিনের অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল ৪টে থেকে। অনুষ্ঠানে থাকবে ভারতীয় খাবার, গান, নাচ এবং ছোটদের জন্য নানা রকম বিনোদনের ব্যবস্থা।
সূর্যাস্তে প্রদীপের আলোয় আরতি
দিনভর নানা অনুষ্ঠানের পরে সন্ধ্যার মূল আকর্ষণ হতে চলেছে টেমসের তীরে আরতি। সূর্যাস্তের সঙ্গে সময় মিলিয়ে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রয়্যাল স্টেপসের ঘাটে প্রদীপের আলো ও ঢাকের বোলে শুরু হবে আরতি।
নদী রক্ষায় বিশেষ সতর্কতা
আরতির সময়ে নদীর পরিবেশ ও জল যাতে কোনও ভাবেই দূষিত না হয়, সেই দিকে কড়া নজর রাখছেন উদ্যোক্তারা। একই সঙ্গে আরতির সময়ে গঙ্গার মতো টেমস নদীর জলে কোনও ফুল, মূর্তি বা পুজোর সামগ্রী ভাসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখেই ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবে সামিল হওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে আগত দর্শনার্থীদের কাছে।