ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নসের প্রধান দাবি, সপ্তাহে ৫ দিন কর্মদিবস এবং ২দিন ছুটি। দ্বিতীয়ত, মাসে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার নয়। তার পরিবর্তে প্রতিটি শনিবার ছুটি দিতে হবে। তৃতীয় দাবি, পারফর্ম্যান্স লিঙ্কড ইনসেন্টিভ বা পিএলআই স্কিমের বর্তমান কাঠামোর বদল। কর্মীদের মধ্যে কোনও বৈষম্য করা যাবে না। সব কর্মচারীকে কর্মদক্ষতার নিরিখে সমান ইনসেন্টিভ দিতে হবে। এই সমস্ত দাবিতে দফায় দফায় ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তার পরদিন শনি ও রবিবার। ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী। তার ফলে পরপর চারদিন বন্ধ থাকতে পারে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা।আবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিনদিনের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবিপূরণ না হলে ২৬ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট হতে পারে। মনে করা হচ্ছে, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কগুলিতে পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে। বন্ধ থাকতে পারে এটিএম। চরম ভোগান্তির শিকার হতে পারেন গ্রাহকরা। তবে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নসের কর্মসূচির আওতায় নেই প্রথম সারির বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি। তাই সেসব ব্যাঙ্কে গ্রাহক পরিষেবায় ছেদ পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে দুর্গাপুজো। তার আগে সেপ্টেম্বরে দফায় দফায় মোট ৪ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস। একাধিক দাবিতে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবিপূরণ না হলে অক্টোবরে ফের লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক কর্মীদের আন্দোলনে পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা। তার ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন গ্রাহকরা।