এক নজরে
নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে গত ৯ দিন ধরে অনশন করছিলেন JLKM নেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহতো।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার তাঁকে রাঁচি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিধানসভা অভিযানে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে লাঠিচার্জ, জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশি পদক্ষেপে দেবেন্দ্র-সহ বেশ কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ; চার পুলিশকর্মীও জখম হয়েছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দেবেন্দ্রর রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক ভাবে কমে গিয়েছে এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দেবেন্দ্রর অবস্থা আশঙ্কাজনক। রক্তে শর্করার মাত্রা ‘অস্বাভাবিক ভাবে কমে’ গিয়েছে। রাঁচি সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ন্যান্সি প্রিয়া সংবাদ সংস্থা PTI-কে বলেন, ‘এমার্জেন্সিতে রেখে তাঁর চিকিৎসা চলছে।’ দেবেন্দ্রর সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছেন ছাত্রনেতা পঙ্কজ কুমার। তাঁর অভিযোগ, ‘বিধানসভার কাছে পুলিশের লাঠিচার্জের সময়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন দেবেন্দ্র।’ তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি রাঁচি পুলিশ।
এ দিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ পুরোনো বিধানসভা ভবনের সামনে থেকে মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে নতুন বিধানসভার দিকে এগোতে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা জগন্নাথ মন্দিরের কাছে পৌঁছলে জলকামান ছুড়তে শুরু করে পুলিশ। শুরু হয় লাঠিচার্জ।
তার পরেও থামানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। বিধানসভার ২০০ মিটারের মধ্যে পৌঁছে যান তাঁরা। তখন কয়েক দফায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয় বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভার ১ নম্বর গেটের কাছে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ফের লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
পুলিশি পদক্ষেপে বেশ কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। জখম হয়েছেন বেশ কয়েক জন পুলিশ কর্মীও। রাঁচির সিটি এসপি পরশ রানার কথায়, ‘চার জন পুলিশকর্মী জখম। তাঁদের মধ্যে তিন জনের মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে।’
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে দেবেন্দ্র বলেন, ‘সরকার পড়ুয়াদের আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করছে।’ একই সঙ্গে আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দেবেন্দ্রর কথায়, ‘লাঠি, গুলি আর বন্দুক দিয়ে কোনও সরকার চালানো যায় না। আমি ন’দিন ধরে অনশন করছি। ওরা আমার উপরেও অত্যাচার করেছে। জোর করে আমাকে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে দিয়েছে। কিন্তু আমি এই লড়াই চালিয়ে যাব।’