কাল ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব রোগী সুরক্ষা দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, ফি বছর ১০ জন রোগীর মধ্যে একজন স্বাস্থ্যপরিষেবা নিতে গিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হন। যতটা সম্ভব তা এড়িয়ে চলতে হবে। সেই উদ্দেশ্য নিয়ে আজ রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম বৈঠকে বসছে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কী থাকবে আলোচনায়?
সূত্রের খবর, প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে র্যাম্প তৈরি করতে হবে। অকস্মাৎ হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের টিম। নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি হাসপাতালে ৫ রোগীপিছু একজন জিএনএম স্টাফ। হাসপাতালে থেকে সংক্রমণ ছড়ানো ঠেকাতে দু’টো বেডের মধ্যে ন্যূনতম ২ ফুট দূরত্ব। এই নিয়েই আজকের বৈঠক। দুপুর তিনটে থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠক থাকবেন কমিশনের নতুন চেয়ারপার্সন প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, মৌমিতা গোদারা বসু (আইএএস), ডা. সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস, ডা. সুশান্তকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডা. সন্দীপ রায়, ডা. শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের সদস্য ডা. নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রতিটি বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে র্যাম্প রাখা বাধ্যতামূলক। নয়তো লিফটের আকার বড় করতে হবে।