গত সপ্তাহে টানা তিনদিন পথে নেমে প্রতিবাদ হয়েছে। সোমবার থেকে ফের পথে নামছে ইন্ডি জোট। জানা গিয়েছে, আগের তিনদিনের তুলনায় অনেক বেশি জনসমাগম হবে সোমবারের কর্মসূচিতে। ইন্ডি জোটের সদস্য দলগুলির যে নেতারা এর আগের কর্মসূচিতে যোগ দেননি, তাঁরাও থাকবেন সোমবার। সেই তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম অখিলেশ যাদব। জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া গেট থেকে মিছিল করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবেন প্রতিবাদীরা। তারপর সাক্ষাৎ করবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর সঙ্গে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে গত সপ্তাহে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে দিল্লির রাজপথ। মঙ্গলবার সংসদের মকর দ্বার থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল দিয়ে শুরু হয় তাঁদের কর্মসূচি। কিন্তু কমিশন পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিরোধী সাংসদদের মধ্যাহ্নভোজনে ডাকেন। ওই মধ্যহ্নভোজনের পরই রাহুল ঘোষণা করেন, জ্ঞানেশকে আমরা সরিয়েই ছাড়ব। তারপরই বাসে সওয়ার হয়ে যন্তরমন্তরের উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। যন্তরমন্তরের সামনে রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্রতিবাদ শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে মহিলা সাংসদরা। বৃহস্পতিবার তাঁরা পৌঁছন রাজঘাটে।
সেই আন্দোলনের ঝাঁজ বজায় রাখতে সোমবারও একইভাবে পথে নামবে ইন্ডি জোট। বিভিন্ন দলের নেতা এবং কর্মীরা একজোট হবেন ইন্ডিয়া গেটে। সেখান থেকে মিছিল করে তাঁরা যাবেন সুপ্রিম কোর্টে। সাক্ষাৎ করবেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে। জানা গিয়েছে, বিরোধী জোটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য বিকেল ৪টেয় সময় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলে থাকতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সোমবার দিল্লিতে যেতে পারেন। আগের কর্মসূচিতে না থাকলেও সোমবার অখিলেশ থাকতে পারেন বলে সূত্রের খবর।
গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বিরোধী নেতারা। সোমবার রাহুল গান্ধীরা প্রধান বিচারপতির কাছেও স্মারকলিপি দেবেন বলে সূত্রের খবর। তবে দিল্লি আপাতত দুর্গে পরিণত হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকছে বেশ কিছু সময়। কড়াকড়ি হচ্ছে যান চলাচলেও। ফলে মিছিলে ভিড় হবে কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।