আশুতোষ দীক্ষিতের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য
স্বদেশি যুদ্ধবিমান তেজস-সহ বিভিন্ন দেশীয় সামরিক বিমান তৈরিতে এয়ার মার্শাল আশুতোষের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি বায়ুসেনার ফাইটার বিভাগে যোগ দেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি, বাংলাদেশের ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রাক্তনী। তাঁর ৩৫০০ ঘণ্টার বেশি বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা আছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। কমান্ডিং অফিসার হিসেবে আশুতোষ ৯ নম্বর স্কোয়াড্রনে মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করেন। এর পরে তিনি পশ্চিম সীমান্তে একটি ফাইটার এয়ার বেস এবং দক্ষিণ ভারতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেনা প্রশিক্ষণ ঘাঁটি পরিচালনা করেন।
এ ছাড়া আশুতোষ সাদার্ন এয়ার কমান্ডের এয়ার ডিফেন্স কমান্ডার ছিলেন। বায়ুসেনার সদর দফতর বায়ু ভবনে সহকারী প্রধান (প্রকল্প) এবং সহকারী প্রধান (পরিকল্পনা) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। কাজের স্বীকৃতির জন্য তিনি ২০০৬ সালে বায়ু সেনা মেডেল, ২০১১ সালে বিশিষ্ট সেবা মেডেল, ২০২৩ সালে অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল এবং ২০২৬ সালে পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল পেয়েছেন আশুতোষ দীক্ষিত।
ভাইস চিফ পদে ইন্দরপাল সিং ওয়ালিয়া
অন্যদিকে, ভারতীয় বায়ুসেনার নতুন উপপ্রধানের দায়িত্ব পাচ্ছেন এয়ার মার্শাল ইন্দরপাল সিং ওয়ালিয়া। তিনি আশুতোষ দীক্ষিতের জায়গায় আসছেন। এর আগে ইন্দরপাল ইস্টার্ন এয়ার কমান্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে এয়ার মার্শাল ইন্দরপাল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ পদে ছিলেন। তিনি ফাইটার স্কোয়াড্রন, ট্যাকটিক্স অ্যান্ড এয়ার কমব্যাট ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট (TACDE) এবং বরেলির এয়ার ফোর্স স্টেশনের দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি তিনি মিগ-২১, মিগ-২৩, মিগ-২৭, জাগুয়ার ও সুখোই-৩০ বিমান উড়িয়েছেন। ১৯৮৮ সালে কমিশন্ড পাওয়া ওয়ালিয়া যুক্তরাজ্যের কমান্ড কোর্স ও বাংলাদেশের এনডিসি সম্পন্ন করেছেন ইন্দরপাল। এ ছাড়াও, তিনি ডিএএসআই প্রধান এবং জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি বায়ু সেনা মেডেল (২০০৮) ও অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (২০১৮) পেয়েছেন।