দিঘা : পর্যটন কেন্দ্র দিঘায় এবার খাবারের গুণগত মান নিয়ে নড়েচড়ে বসছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। দিঘার সৈকতে খাবারের ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হচ্ছে। খুশি পর্যটকেরা। দিঘার সৈকতে ভাজা মাছ, চিংড়ি-কাঁকড়ার তরকারি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত লোভনীয়। কিন্তু সেগুলি বিক্রির সময় কিংবা পর্যটকেরা তা খাওয়ার ক্ষেত্রে কতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে, সে ব্যাপারে এবার নজরদারি চালাবে খাদ্যসুরক্ষা দফতর।
ওই সমস্ত খাবার বিক্রেতাকে এ ব্যাপারে সচেতন করতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ওল্ড দিঘার বাসস্ট্যান্ড থেকে হেঁটে সামান্য এগিয়ে গেলেই দেখা যায় এলাকা পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট। রাস্তার দু’দিকে সারি সারি খাবারের দোকান। তার মধ্যে মাছভাজা দোকানের স্টল। ভেটকি, ভোলা, সার্ডিন— হরেক রকম মাছ। রয়েছে চিংড়ি, কাঁকড়া। ওল্ড দিঘায় এরকম বেশ কয়েকটি স্টল রয়েছে। নিউ দিঘাতেও দোকানের সংখ্যা কম নয়। অর্ডার দিলেই ভেজে দেওয়া হয়। তবে সেই মাছ বা চিংড়ি-কাঁকড়া ভাজা বিক্রি ও খাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিয়ে বারেবারে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রান্না করা ওই খাবার খেয়ে পর্যটকরা যাতে অসুস্থ না হন কিংবা কোনও সমস্যায় না পড়েন, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছে জেলা খাদ্যসুরক্ষা দফতর। দিঘা যেহেতু পর্যটন শহর, এখানে হাজার হাজার মানুষ বেড়াতে আসেন এবং এই ধরনের খাবার অনেকেই খেতে পছন্দ করেন, সেখানে খাদ্যসুরক্ষা বিধি মেনে চলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগে দিঘায় পৃথক ঘটনায় কাঁকড়ার তরকারি খেয়ে তিনজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক পর্যটক অসুস্থও হয়েছেন।