ডিসিপি গেড়াম দীক্ষিত জানিয়েছেন, 'একজন আক্রমণকারীকে শনাক্ত করা গিয়েছে।' তিনি আরও জানান যে এই দুষ্কৃতী আদপে পিছনের ফায়ার এসকেপের সিঁড়ি দিয়েই উপরে উঠে এসেছিলেন। ডিসিপি জানিয়েছেন, 'আমরা এই হামলাকারীকে ধরার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি। এই মামলায় কাজ করছে ১০টি শনাক্তকারী দল। বান্দ্রা থানায় ইতিমধ্যেই একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে'। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে সেই হামলাকারী কম্পাউন্ডের দেওয়ালে ওঠার পরেই ভিতরে ঢুকতে পেরেছিল এবং পালানোর সময় সে পিছনের দরজা দিয়েই পালিয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, করিনা কপূর খান সেদিন রাত করে ফিরেছিলেন পার্টি করে এবং তারপরে তিনি নিজের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। হামলার সময়ে সেফ নাকি বাচ্চাদের ঘরেই ছিলেন। কর্মচারীর সঙ্গে আততায়ীর বচসা শুনে বেরিয়ে আসেন তিনি। যেহেতু তাঁদের কোনও শ্যুটিং বা বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল না, সেই কারণে অ্যাপার্টমেন্টের ভিতরে নাকি কোনও নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন না। বচসা শুনে বাইরে বেরিয়ে আসতেই সেফের ওপর হামলা চালায় আততায়ী।