বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত মেরামত না হলে এই বিপদ বাড়তে পারে। সে কারণে তড়িঘড়ি সেতু সংস্কারের কাজ শেষ করতে চাইছে সংস্থা। এই কাজে কলকাতা পুরসভার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কেএমডিএ–র এক কর্তা বলেন, 'স্তম্ভই উড়ালপুলের ভার বহন করে। সেগুলো আরও শক্তপোক্ত করা জরুরি।
সেতু পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা বিশেষজ্ঞ সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি স্তম্ভকে মাটির তলা থেকে উপর পর্যন্ত কার্বন ফাইবার বা স্টিল প্লেট দিয়ে মোড়া হবে। এতে স্তম্ভের গঠনগত শক্তি বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি সেতুর নীচের অংশে পলিমার ফাইবারের আস্তরণ বসানো হবে। প্রাচী সিনেমা থেকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত এই কাজ চলবে।
১৯৭৮ সালে নির্মিত এই উড়ালপুল এক সময়ে কলকাতার 'লাইফলাইন' হিসেবে পরিচিত ছিল। নির্মাণের পরে বহু বছর ট্রাম চলাচল করত এই ব্রিজের উপর দিয়ে। পরে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তা বন্ধ করা হয়। ট্রাম লাইনের অতিরিক্ত কংক্রিট স্তরও ওজন কিছুটা বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সে কারণে মেরামতের পরে লোড টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।