‘টার্গেট’ ছুঁতে বঙ্গে নজর দেবেন মোদী-শাহ, আশা পদ্ম শিবিরে


লক্ষ্যমাত্রা থেকে আর ১৪৬টি আসন দূরে বিজেপি। আগামী দু’বছরের মধ্যে টার্গেট ছুঁতে চায় তারা। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সেই দাবিও করা হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে। ভোট–রাজনীতির পাটিগণিত বলছে, তার জন্য ২০২৬ বিধানসভা ভোটে বাংলা থেকে ভালো সংখ্যায় আসনে জিততে হবে বিজেপিকে। বা‍ংলার বিজেপি নেতারা তাই আশায় বুক বেঁধেছেন। ডেডলাইনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা যদি এ বার বাংলায় ফিরে তাকান!

সম্প্রতি বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। আগামী বছরই পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, তামিলনাড়ু, অসমের মতো রাজ্যগুলিতে ভোট। এই মূহূর্তে গোটা দেশে বিজেপির দখলে থাকা বিধানসভা আসন সংখ্যা ১৬৫৪। ২০১৯ বিজেপির দখলে ছিল ১১৬০টি বিধানসভা আসন। পরিসংখ্যান বলছে, এরপর থেকে প্রতি বছরই বিজেপির আসন বেড়েছে। ২০২৪–এ দেশের মোট ৪১৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৮৮টি বিজেপির দখলে ছিল। বিহার বিধানসভা ভোটের পর সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ১৬৫৪। বিজেপির আশা, এই স্ট্রাইকিং রেট বজায় থাকলে দু’ বছর–ই যথেষ্ট ১৮০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে।

সোমবার বিজেপির অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা হয়েছে, তাদের জয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দু’বছরের মধ্যে বিজেপি সহজেই ১৮০০ আস‍‍নের টার্গেট ছুঁয়ে ফেলবে। সেখানে আরও লেখা হয়েছে, ‘কংগ্রেস সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছি‍ল ১৯৮৫–তে। ওই বছর দেশের ২০১৮টি বিধানসভা আসন ওদের দখলে ছিল। ইন্দিরা গান্ধীর হত্যা-পরবর্তী আবহে বিশাল সহানুভূতির ঢেউয়ের ওপর ভর করে এই সাফল্য পেয়েছিল কংগ্রেস। তখন রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা ও ভোটারদের মন জয় করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ ছিল। এখন পার্থক্যটা স্পষ্ট। কংগ্রেস ‘উত্তরাধিকার সূত্রে’ ওই নির্বাচনী সাফল্য পেয়েছিল। বিজেপি এই সাফল্য অর্জন করেছে সংগ্রামের পথে হেঁটে। প্রতিটি রাজ্যে, প্রতিটি বিধানসভা আসনে।’ বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতার কথায়, ‘দেশের ১৮০০ বিধানসভা আসনে জেতার অর্থ, প্রায় অর্ধেক ভারতের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা। তাই ১৮০০ আস‍নের লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়া পার্টির কাছে অবশ্যই বড় মাইলস্টোন।’

Post a Comment

Previous Post Next Post