যাদবপুরে সেভাবে কখনোই দাঁত বসাতে পারে বিজেপির ছাত্র সংগঠন। সেখানে SFI ও TMCP র প্রাধান্য। তাই যাদবপুর নিয়ে খুশি নন প্রধানমন্ত্রী। এদিন বারুইপুরের সভা থেকে যাদবপুরের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের তুলোধনা করতে দেখা যায় মোদীকে। রাজ্যের বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। একযোগে যাদবপুরের ‘নৈরাজ্যের’ পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়ে বলেন, “এক সময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম গোটা দুনিয়ায় সম্মানের সঙ্গে নেওয়া হতো। এই ক্যাম্পাসের ভিত্তিই ছিল জাতীয়তাবাদের উপর। কিন্তু এখন ক্যাম্পাসের ভিতর হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশ বিরোধী কথা লেখা হচ্ছে। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবথেকে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে পারে না ও বাংলার ভবিষ্যত কী বাঁচাবে!” তার এ কথা নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক আঙিনায়।
স্বাভাবিক কারণেই এই পরিস্থিতি হাতছাড়া করতে রাজী নয়, মমতা। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ছাড়েনাও নি।পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মমতা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন, ‘ব্যথিত হৃদয়ে জানতে চাইছি আপনি কি এভাবেই শ্রদ্ধেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বর্ণনা করেন? এটাই কি আপনার সৌজন্যবোধ ও শিষ্টাচার? আপনার সরকারের নিজস্ব ‘এনআইআরএফ’ (NIRF) র্যাঙ্কিং-এ বছরের পর বছর শীর্ষস্থান দখল করে আসছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আর আপনি সেই উৎকর্ষ কেন্দ্রকে এভাবে অপমান করলেন? আপনি এত নিচে নামতে পারলেন? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা মেধার জোরে নিজেদের স্থান অর্জন করে। তারা যখন ডিগ্রি নিয়ে বের হয়, তখন তাদের সঙ্গে থাকে প্রশ্ন করার ক্ষমতা। এটাকে নৈরাজ্য বলে না।'