ফলাফল প্রকাশের দিনেই নির্বাচনে ‘স্বচ্ছতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিষেক। নির্বাচন কমিশন ‘নিরপেক্ষতা’ বজায় রাখেনি বলে দাবি করেছিলেন তিনি। এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক লেখেন, ‘যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করার কথা, তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং স্বচ্ছতা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।’
তৃণমূলের তরফে কমবেশি ১০০টি বিধানসভা আসনে ‘অনৈতিক’ ভাবে হারানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। বুথের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি করেছিলেন অভিষেক। এ দিন অভিষেক জানান, ভোট গণনা প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে ইভিএম (EVM) রক্ষণাবেক্ষণ ও স্থানান্তরের অভিযোগ, এমনকী কন্ট্রোল ইউনিটের তথ্যে অসামঞ্জস্য—এমন বেশ কিছু উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি ইতিমধ্যেই ভোট গণনা কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ প্রকাশ করা এবং VVPAT স্লিপগুলোর স্বচ্ছ ভাবে গণনা করার দাবি জানিয়েছি।’
কমিশনের কাছে এই আবেদনের পাশাপাশি কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার বার্তাও দেন অভিষেক। উভয় ক্ষেত্রে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘শক্তিশালী, সরব এবং আপসহীন বিরোধী দল’-এর ভূমিকা পালন করবে তৃণমূল।
নির্বাচন মেটার পরেই জেলায় জেলায় নানা হিংসার ঘটনার খবর উঠে এসেছে। তৃণমূল কর্মীদের মারধর, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে দিকে দিকে। কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেকের বার্তা, ‘আমি তৃণমূলের প্রতিটি সমর্থক ও কর্মীকে আহ্বান জানাচ্ছি, এই কঠিন সময়ে আপনারা মনোবল অটুট রাখুন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকুন। যদি কেউ হিংসা, ভীতি প্রদর্শন বা হুমকির শিকার হয়ে থাকেন, তবে আপনাদের বিস্তারিত তথ্য আমার সঙ্গে শেয়ার করুন অথবা আমাকে সরাসরি মেসেজ করুন।’