সায়নীর যুব সভাপতির চেয়ারে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় - কে এই অর্ণব?



সায়নীর যুব সভাপতির চেয়ারে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় - কে এই অর্ণব?

  বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সাংসদ সায়নী ঘোষ পোশাক পাল্টে যখন বিরোধী শিবিরে যোগ দিলেন, তখন মমতা খুবই ক্ষুন্ন হয়েছিলেন। তিনি মুহূর্তে সায়নীকে বহিস্কার করে তার আসনে বসান অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতিতে অর্ণবের ততটা পরিচিতি নেই। 
যুব তৃণমূলের দায়িত্ব পেতেই অর্ণবকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কে এই অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়? কী তাঁর পরিচয়? ২০২১ সালের জুনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব ছাড়েন। তারপরই এই পদে বসানো হয়েছিল সায়নীকে। তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে সায়নীর পরিচিত ছিলেন অভিনেত্রী হিসেবে। সায়নীর মতো অর্ণবও একজন অভিনেতা। ছোটপর্দায় অভিনয় করেন। অভিনয় ছাড়াও অর্ণব বহু দিন ধরে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতিও ছিলেন। পাপা নামে বেশি পরিচিত তিনি। 

  তাঁর পরিবারও তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। অর্ণবের দিদি সোমা চক্রবর্তী কলকাতা পৌরনিগমের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর। আর অর্ণবের জামাইবাবু হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুঃসময়ের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত শুভাশিস। কয়েকদিন আগে সিআইডি যখন কালীঘাটে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তল্লাশির জন্য এসেছিলেন, তখন প্রথমে তাদের বাধা দিয়েছিলেন এই শুভাশিসই। তাঁরই শ্যালক অর্ণব। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, যেকোনও রাজনৈতিক দলের বিস্তারে যুব সংগঠনের একটা বড় ভূমিকা থাকে। তৃণমূলের যুব সংগঠনের নেতৃত্বে প্রথম থেকে তাই বড় বড় নেতাদের দেখা গিয়েছে। একুশ সালে প্রথম সায়নীর মতো সিনেমা জগত থেকে আসা একজনকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন লোকসভার বিক্ষুব্ধ সাংসদদের দলে নাম লিখিয়েছেন সায়নী। এখন দেখার অর্ণব কতটা কাজ করতে পারেন?

Post a Comment

Previous Post Next Post