হাসপাতালে পৌঁছন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এরপর তাঁর নেতৃত্বে BJP ও ABVP সমর্থকরা যাদবপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন ABVP-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শুভব্রত অধিকারী এবং রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য।
বাম ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ একদল ABVP সমর্থক যাদবপুর থানা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের দিকে এগিয়ে যান। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধ গেট ধাক্কা দিয়ে খুলে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর SFI-সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের পোস্টার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বাম ছাত্র সংগঠনের তরফে অভিযোগ, এবিভিপি সমর্থকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার পর উপাচার্যের দফতর অরবিন্দ ভবনের দিকে এগিয়ে যান। পথে অরবিন্দ ভবনের পিছনের মাঠে বসে থাকা কয়েকজন পড়ুয়াকে ধাওয়া করার অভিযোগ ওঠে। ওই পড়ুয়ারা অরবিন্দ ভবনে আশ্রয় নেন। ABVP-র অভিযোগ, অরবিন্দ ভবনে যাওয়ার আগে ওই পড়ুয়ারাই তাঁদের সমর্থকদের মারধর করেছিলেন। যদিও পাল্টা অরবিন্দ ভবনে আশ্রয় নেওয়া পড়ুয়াদের অভিযোগ, তাঁদের উপরই ABVP সমর্থকরা হামলা চালান।
গভীর রাতে অরবিন্দ ভবনের সামনের এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। SFI-সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের ফেস্টুন ও পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, অরবিন্দ ভবনের ভিতরে থাকা পড়ুয়ারা বন্ধ গেট ধরে ঝাঁকাতে থাকেন বলে অভিযোগ ABVP-র। ভিতর থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়েছে বলেও দাবি ABVP-র। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অরবিন্দ ভবনে আশ্রয় নেওয়া পড়ুয়ারা।
রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার প্রতিবাদে ABVP নেতৃত্ব ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টায় গোলপার্ক থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অভিযানের ডাক দিয়েছে ABVP।