এটা কি কোনও আবশ্যিক কর্তব্য
মূলত, সন্তানের বয়স ৫ ও ১৫ বছর হলে তাদের অভিভাবকদের বাধ্যতামূলকভাবে বায়োমেট্রিক রেকর্ড আপডেট করতে বলে UIDAI। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, মূলত শিশুদের স্কুলের অ্যাডমিশন,পরীক্ষা, স্কলারশিপ ছাড়াও সরকারি স্কিমের সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্য়বস্থা নিতে বলা হচ্ছে অভিভাবকদের।
সম্প্রতি এই বিষয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে UIDAI । যেখানে বলা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বায়োমেট্রিক আপডেট ফ্রি পাবেন আপনি। তবে শিশুদের ক্ষেত্রেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে এক বছরের জন্য এই ফ্রি সুবিধা দিয়ে আসছে UIDAI। ৫ ও ১৫ বছরে শিশুদের বাধ্যতামূলকভাবে বায়োমেট্রিক আপডেটের জন্যই এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়াও ব্লু আধার কার্ড বা নীল আধার কার্ডও দেয় ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া । সাধারণ আধার কার্ডের থেকে দেখতে আলাদা, কী কাজে লাগে এই কার্ড, সরকার আপনাকে দেয় কী সুবিধা। এটি করানো কি বাধ্যতামূলক ?
আধার কার্ড কাদের জন্য করা হয় ?
আসলে ছোটবেলায় পরিণত হয় না শিশুদের শরীর। সেই কারণে তাদের বায়োমেট্রিক নেয় না সরকার। পরিবর্তে তাদের জন্য রয়েছে আলাদা কার্ড। এই কার্ড হল ব্লু আদার কার্ড বা বাল আধার কার্ড। শিশুদের আঙুলের ছাপ বা চোখের মণির স্ক্যান ছাড়াই এই বিশেষ আধার কার্ডটি তৈরি করা হয়। বর্তমানে আধার কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুসারে সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হলেই এই কার্ডে বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট করা বাধ্যতামূলক। এই কাজ না করলে কার্ড বাতিল বলে গণ্য় হবে।
এই ধরনের ব্লু আধার কার্ড আসলে কী ?
মূলত, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ইস্যু করা বিশেষ আধার কার্ডই হলো নীল আধার কার্ড। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ আধার কার্ডের থেকে এটি বেশ আলাদা। যেহেতু ছোট বাচ্চাদের বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি পুরোপুরি তৈরি হয় না, তাই এই কার্ড তৈরির সময় কোনও আঙুলের ছাপ বা আইরিস স্ক্যান নেওয়া হয় না।
এই কার্ডে আপনি কী পাবেন
এই কার্ড করার সময় শিশুর নাম, জন্মতারিখ ও ছবির মতো ডেমোগ্রাফিক তথ্যের ভিত্তিতে এই কার্ড তৈরি করা হয়। এই ব্লু আধার কার্ড শিশুর বাবা-মা বা আইনি অভিভাবকের আধার কার্ডের নম্বরের সঙ্গে লিঙ্ক করা থাকে।