এবিভিপি এবং বাম ছাত্র সংগঠনের সদস্যের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তার আঁচ এসে পড়ে রাজ্য রাজনীতিতেও। শুভেন্দু প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কিষেণজি রেড স্যালুট কেন লেখা থাকবে? কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান কেন দেবেন?’ শুধু প্রশ্ন তুলেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু। রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, ‘ড্রোন ওড়াব, গাঁজা, হেরোইন কে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন, কোথায় কোথায় বসে পাতা পুড়িয়ে টানছেন, আমি বের করব। আমি পুলিশমন্ত্রী। আমি জঞ্জাল সাফাই করতে জানি।’
ক্যাম্পাসের দেওয়ালে লেখা স্লোগানগুলি যে মোটেও দেশের স্বার্থে নয়, তা জোর গলায় বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ‘কীসের রেড স্যালুট? প্যালেস্তাইন কী?’ জ্ঞানেশ্বরী কাণ্ডের প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। বলে দেন, ‘কত নিরপরাধ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।’ এর পরেই স্পষ্ট ভাষায় তাঁর বার্তা, ‘এসব চলতে পারে না। মোছা শুরু হয়েছে। এর পরে অনেক কিছু হবে।’