উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ তুলে তদন্তকারী আধিকারিককে (আইও) সাসপেন্ড করার দাবি জানান। একই সঙ্গে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর স্ত্রীকে চাকরি এবং ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, ঘটনার তদন্তে পুলিশের ভূমিকা সন্তোষজনক ছিল না। সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তে গাফিলতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
হালিশহরে গিয়ে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার কথাও জানান। এই ঘোষণাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
অন্য দিকে, পুলিশি তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার নেপথ্যে কী ছিল, কারা জড়িত এবং পুলিশের কোনও গাফিলতি হয়েছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির উপরেই এখন নজর রয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন পরিবারের মধ্যে শোকের আবহ, অন্যদিকে তেমনই রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। তবে শুভেন্দুর প্রকাশ্য অভিযোগ এবং পরিবারের জন্য সাহায্যের ঘোষণায় হালিশহরের ঘটনাটি নতুন করে রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে।