হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক বিজেপি বিধায়ক। বিধায়কের অভিযোগ, পরিচিতির সুযোগ নিয়ে কিংবা তাঁর নাম ব্যবহার করে টাকা চাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে বিধায়ককে ফোন করা হয়। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি টাকা না দিয়ে গোটা ঘটনাটি পুলিশকে জানান।
এর পরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল, সেটির পরিচয় এবং ব্যবহারকারীর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ওই নম্বর থেকে আরও কারও কাছে ফোন বা মেসেজ পাঠানো হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক সময়ে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। কখনও হোয়াটসঅ্যাপ, কখনও ফোন বা মেসেজের মাধ্যমে পরিচিত ব্যক্তি সেজে টাকা চাওয়া হচ্ছে। ফলে এমন কোনও ফোন বা মেসেজ এলে যাচাই না করে টাকা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটির পিছনে কে বা কারা রয়েছে, সত্যিই কোনও প্রতারণা চক্র এর সঙ্গে যুক্ত কি না, তা তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হবে।
ঘটনার জেরে প্রশ্ন উঠছে, জনপ্রতিনিধিদের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে এ ধরনের প্রতারণা রুখতে পুলিশ-প্রশাসন আরও কড়া পদক্ষেপ করবে কি না। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর।