বছরের পর বছর যাদবপুর বামপন্থী ও বাম ছাত্র সংঘটনের আধিপত্য। এখানেই বহিরাগতদের তাণ্ডব। এবিভিপির তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল যে SFI ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা মারধরও করেন। আহত ২ এবিভিপি সমর্থককে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী কেপিসি হাসপাতালে। এরপরই সেখানে যান যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও বিজেপি কর্মীরা। শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই যাদবপুর থানায় এসে ঝামেলা করে এবিভিপি সমর্থকরা। থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখান তারা। রাতেই একদল এবিভিপি সমর্থক ক্যাম্পাসের ভেতরে পরে। ঝামেলা বাড়ে তখন। এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পোস্টার, ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় পোস্টারে। কার্নিশে উঠে মুছে ফেলা হয় এসএফআই-এর দেওয়াল লিখন।
এদিকে, এই সংঘাতে ভেঙে গেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বের প্রতীক। ভেঙে গিয়েছে নন্দলাল বসুর তৈরি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায়ের এমব্লেম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিংহ জানিয়েছেন, 'এই এমব্লেম ছিল জাতীয় গৌরবের প্রতীক। এর তৈরির সঙ্গে ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা আন্দোলন ও জাতির একটা আকাঙ্খা রয়েছে। এটি তৈরি করেছিলেন বিখ্যাত শিল্পী নন্দলাল বসু। যাকে পা দিয়ে মারিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে।' যাদপুরের ঘটনায় পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়েছে। এমনকী এই মর্মে ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এক আইনজীবী। জানা গিয়েছে যে আবেদনকারী জানিয়েছে যে যাদবপুরের একটি মামলা যেহেতু বিচারাধীন রয়েছে ইতিমধ্য়েই, তাই সেই মামলার সঙ্গে এই ABVP ও SFI-র মধ্য়ে ঝামেলার ঘটনাকে যুক্ত করে দ্রুত যাতে শুনানি হয়।